এসএসসি পরীক্ষার তিন দিন আগে শরীয়তপুরের এক ছাত্রীর হঠাৎ হাত-পা প্রথমে অবশ ও অনুভূতিহীন হয়ে গেল। এর কিছুক্ষণ পর শুরু হলো খিঁচুনি। কয়েকবার শরীর ঝাঁকুনি দিয়ে মেয়েটা অজ্ঞান হয়ে পড়লে মা-বাবা স্থানীয় চিকিৎসককে ডাকলেন। একটা স্যালাইন ও কয়েকটি ইনজেকশন দেওয়ার পর জ্ঞান ফিরলেও মেয়েটার কথা গেল বন্ধ হয়ে। পরীক্ষা দেওয়া তো হলোই না, মা-বাবা ঠিক করলেন স্নায়ুরোগের বড় চিকিৎসক দেখাবেন। এরই মধ্যে প্রতিবেশীদের পরামর্শে শুরু হলো ঝাড়ফুঁক ও জিন চিকিৎসা। এক মাস পর বিধ্বস্ত ও অসুস্থ মেয়েটাকে যখন ঢাকায় আনা হলো, তখন তার শরীরে মারের কালশিটে দাগ পড়ে গেছে, অবিন্যস্ত চুল আর উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টি। চিকিৎসক ভালো করে দেখে ও পরীক্ষা করে বললেন, ওর শরীরে কোনো রোগ নেই, রোগটা