মানুষ সামাজিক জীব।
পৃথিবীর প্রতিটি দেশ এবং সমাজ কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলে। আমরাও তার ব্যতিক্রম নই।
অতীতে এক সময় দেখা গেছে পায়ের রগ কাটাকাটি, কিংবা কুপিয়ে মারা। এরপর বস্তায় বা সুটকেসে ভরে লাশ পাওয়া যেত। তারপর কথায় কথায় পটকা ফোটানোর চল এসেছে। এরপর আত্মহত্যা এবং এক রশিতে আত্মহত্যা। তারপর এলো মুক্তিপন বানিজ্য।এখন চলছে

রানা প্লাজা ধসের বছর পেরিয়েও সেই দুঃসহ যন্ত্রণা আর ভয়াবহ স্মৃতি পিছু ছাড়ছে না উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া মানুষগুলোকে। তারা এখন কেউ কেউ মানসিক রোগী। তাদেরই একজন রফিকুল ইসলাম। ধসের শুরুর দিন থেকে টানা ২১ দিন উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
উদ্ধারকাজে টানা অংশ নিয়ে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন পেশায় রাজমিস্ত্রী রফিকুল। পরে তার স্থান হয় শেরেবাংলা নগরের জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য
‘ভাই ঘরে আমার দেড় বছরের সন্তান রয়েছে। সে এতক্ষণে হয়তো খাবারের জন্য কান্নাকাটি করছে। দয়া করে তার জন্য হলেও আমাকে বাঁচান। মরার আগে তার মুখটা দেখে মরতে চাই’- এমন আর্তনাদ শোনার পর আর নিজেকে ধরে রাখতে না পেরে ছুটে গিয়েছিলাম উদ্ধারকাজে। আজও সেই কথা আমার কানে ভেসে উঠে। মনে হয় এখনও আমাকে ডাকছে কেউ। তাদেরকে বাঁচানোর জন্য রানা প্লাজা ভবন ধসে উদ্ধারকর্মী খোকন এভাবেই বর্ণনা করছিলেন সেই দিনগুলোর কথা। রানা প্লাজা ভবন ধসের ১ বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু ভয়াবহ সেই দুর্ঘটনার স্মৃতি তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে আহত শ্রমিক ও উদ্ধারকর্মীদের। ভবন ধসে আহতদের আহাজারি, আর্তনাদ বারবার কানে