আমাদের দেশে ধর্ষণের শিকার নারীর জীবনে ধর্ষণ কখনো শেষ হয় না ৷ নানা প্রক্রিয়ার মধ্যে সে পরোক্ষভাবে বারবার মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হতে থাকে ৷ মামলা, তদন্ত, সাক্ষ্য গ্রহণ, বিচার প্রত্যেকটি পর্যায়েই যেন বারবার ‘ধর্ষণের শিকার হয়' মেয়েটি ৷
প্রথমে ভিকটিমের শারীরিক আলামত সংগ্রহের নামে যে ডাক্তারি পরীক্ষা হয় তাও ভয়াবহ ৷ দেখা যায় যে, ওয়ার্ড বয়দের মাধ্যমে এই পরীক্ষার সময় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন ৷ আর এই পরীক্ষায় শরীরের অনেক স্পর্শকাতর অঙ্গের মাপ উল্লেখ করা হয়, যা ধর্ষকের পক্ষে যায় ৷ যেমন স্তনের আকার যদি বড় হয় তাহলে নারীকে হ্যাবিচুয়েটেড প্রমাণের চেষ্টা চলে।

প্রথমে ভিকটিমের শারীরিক আলামত সংগ্রহের নামে যে ডাক্তারি পরীক্ষা হয় তাও ভয়াবহ ৷ দেখা যায় যে, ওয়ার্ড বয়দের মাধ্যমে এই পরীক্ষার সময় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন ৷ আর এই পরীক্ষায় শরীরের অনেক স্পর্শকাতর অঙ্গের মাপ উল্লেখ করা হয়, যা ধর্ষকের পক্ষে যায় ৷ যেমন স্তনের আকার যদি বড় হয় তাহলে নারীকে হ্যাবিচুয়েটেড প্রমাণের চেষ্টা চলে।

কোনো নারী যদি বৃহস্পতিবার রাতে থানায় রিপোর্ট করেন তাহলে তার পরীক্ষা হবে রোববার ৷ ৪৮
বাংলাদেশে এই ব্যাপারটি যে এতটা ভয়াবহ , সেটা জানা ছিলো না। এতদিন শুনে এসেছি, ডাক্তারি পরীক্ষার নামে ভিকটিম ২য় বার রেপড হয়। এতদিন ভাবতাম, পরীক্ষার প্রয়োজনেই(!) তাকে বুঝি এই ”২য় বার রেপ করা হয়” এবং এটা রূপকঅর্থে ব্যবহৃত হয় এবং ব্যাপারটা পুরোটাই মেন্টাল ট্রমা। কিন্তু আদতে টেষ্টের পুরো প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিটি যে প্রায় আক্ষরিক অর্থেই একজন নারীর জন্য মানসিক ও শারিরীক যৌন নির্যাতন, এটা আজ জানলাম।