Showing posts with label বিষণ্নতা. Show all posts
Showing posts with label বিষণ্নতা. Show all posts

Sunday 16 August 2015

মনের রোগে ঘুমের সমস্যা

মানবদেহ পরিশ্রম আর বিশ্রামের এক  চক্রে বাধা। এর কোনোটির ঘাটতি বা বাড়তি হলেই বিপত্তি। পরিশ্রমের তুলনায় বিশ্রাম অর্থাৎ ঘুম কম হলে যেমন শরীর ভেঙে যেতে পারে, তেমনি বেশি বিশ্রাম বা ঘুমেও দেখা দিতে পারে নানা সংকট।  প্রাপ্ত বয়স্ক প্রায় ত্রিশ শতাংশ মানুষই এ ধরনের  ঘুমের সমস্যার শিকার।  যার বেশিরভাগই কোনো না কোনো মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত। 
ঘুমের সমস্যায় অক্রান্তদের যে শুধু রাতই নষ্ট হয় তাই নয়, বরং তাদের মধ্যে  দিনের বেলায়ও অবসাদগ্রস্ততা তথা মেজাজের তারতম্য পরিলক্ষিত হয়।  আবার দীর্ঘ নিদ্রাহীনতার কারণে মানুষের বুদ্ধিমত্তারও ঘাটতি দেখা যায় যা পরবর্তীতে তাঁর ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত, পেশাগত ও সামাজিক জীবনে প্রভাব ফেলে।
অনিদ্রার মানসিক কারণ
নিদ্রাহীনতার জন্যে দায়ী মানসিক কারণগুলোর মধ্যে মানসিক চাপ (চাকরিগত সমস্যা, বেকারত্ব, অতিরিক্ত কাজের চাপ, পড়া-লেখার চাপ, বিবাহ বিচ্ছেদ, দাম্পত্য কলহ, পারিবারিক কলহ, সম্পর্কের ঘাটতি ইত্যাদি), মানসিক দ্বন্দ্ব বা সিদ্ধান্তহীনতা, দুশ্চিন্তা, বিষন্নতা, উদ্বিগ্নতা, আঘাত পরবর্তী মানসিক চাপ, শুচিবায়ুগ্রস্থতা, আত্মঘাতী মানসিক সমস্যা,

Wednesday 22 April 2015

পলিটিক্যাল ডিপ্রেশনেই যুবলীগ নেতার আত্মহত্যা? : আর কতো আত্মহত্যা

যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য এনায়েত কবির চঞ্চল (৪৮) নিজ মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন। পরিবারের সদস্যসহ প্রত্যক্ষদর্শী সকলে এই দাবি করেছেন। পুলিশও একই অভিমত ব্যক্ত করে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে লাশ দাফন করার অনুমতি দিয়েছে।

তবে তার স্ত্রী নাজনীন জাহান বলেন, ‘পার্টিতে পদ-পদবী ও এমপি নমিনেশন পাওয়া নিয়ে অনেকদিন ধরেই চঞ্চল পলিটিক্যাল ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন। এ থেকে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।’

Friday 17 October 2014

গত তিন বছরে আত্মহত্যা ৩০,০০০

 ‘আম্মু-আব্বু আমাকে মাফ করে দিও। আমি অন্যায় করেছি, আমার সাজা হওয়া উচিত। আমি আর কোন কিছু সহ্য করতে পারছি না। খুব অসহায় লাগছে। তুমিই তো বলো আমার মতো  মেয়ের দরকার নেই। আমি এভাবে তোমাদের কষ্ট দিতে চাই না। আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে। আমি এই জীবন সহ্য করতে পারছি না। আমি একজনকে ভালবাসি। আমি খারাপ, আমাকে দিয়ে কিছু হবে না। তাই আমি চলে গেলাম ...।’ হৃদয়বিদারক এই সুইসাইড নোটটি  রাজধানীর ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণীর ছাত্রী নাঈমা বিনতে নাহিদের। আত্মহত্যার আগে সে লিখেছিল এই লেখাটি। এরপরই কলেজের হোস্টেল কক্ষের সিলিং ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যা করে সে। ১৫ই আগস্ট রাতে গুলশান থানা পুলিশ কলেজ হোস্টেলের কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ ও নাঈমার বন্ধুরা জানান, তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বাবু নামে এক সহপাঠীর। বিষয়টি নাঈমার মা-বাবা জেনে ক্ষুব্ধ হন তার প্রতি। ঈদের ছুটি কাটিয়ে গত ৮ই আগস্ট কেশবপুরের বাড়ি থেকে ঢাকায় ফেরার আগে নাঈমার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন তারা। অন্যদিকে নাঈমার প্রেমিক বাবু তার সঙ্গে

আরেকটি আত্মহত্যাঃ এইসব দিনরাত্রির টুনি’র আত্মহত্যা!

আত্মহত্যা করেছেন হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত টিভি সিরিজ এইসব দিনরাত্রির ‘টুনি’। গত বৃহস্পতিবার গুলশানের নিজ বাসার বেডরুমে গলায় ফাঁস দেন তিনি। তার পুরো নাম নায়ার রহমান লোপা। শুক্রবার বিকেলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গ থেকে নিজ বাসায় লাশ নিয়ে গেছে তার পরিবার। কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে এ সম্পর্কে পরিবারের পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি।তবে লোপার বন্ধুবান্ধবেরা ধারণা করে বলছেন, সাংসারিক কলহের জের ধরেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। লোপার সংসার জীবনে দুই সন্তান। দীর্ঘদিন মিডিয়া থেকে বিরতি নিয়ে বছর কয়েক ধরে বিচ্ছিন্নভাবে নাটকে কাজ করছিলেন তিনি। 
Image may contain: 1 person

এখন প্রশ্ন হচ্ছে কেন তিনি আত্মহত্যার মতো এমন চরম একটি পথ বেছে নিলেন? তিনি কি বিষন্নতায় ভুগতেন? এমন জলজ্যান্ত একজন সুস্হ্য এবং হাসিখুসী মানুষ, যার নাকি ফুলের মতো দুটো বাচ্চা আছে; সে কিনা আত্মহত্যার মতোর এমন কাজটি করতে পারলেন? হ্যা, বিষন্নতায় যারা ভুগেন তারাই এ রকম চরম ডিসিশন নিতে পারেন। 

ফেসবুকঃ www.facebook.com/Psychobd

Monday 29 September 2014

ডিপ্রেশনের আদ্যোপান্ত



ডিপ্রেশনঃ

কিছু ভালো লাগে না বা মন খারাপ শব্দটি ঘুরে ফিরে দিনে বেশ কয়েকবার বলে ফেলি আমরা।কখনো নিজের মনে আবার কখনো নিজের কারো কাছে।কিন্তু ঠিক কি কারনে মন খারাপ তা আমরা নির্ধারন করতে পারিনা।ব্যাপারটা বিভিন্ন জিনিসের উপর নির্ভর করে।তবে সব মন খারাপ মানেই ডিপ্রেশন নয়।মন খারাপ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং তার সাথে আরো কিছু লক্ষন প্রকট হয়ে দাড়ালে তাকে আমরা ডিপ্রেশন বলি।ডিপ্রেশন এক কঠিনতম মনোব্যাধি। যার ডিপ্রেশন হয় সেই বোঝে তার নির্মম কষ্ট। ডিপ্রেশন মানুষের জীবনীশক্তি নষ্ট করে দেয়। এ রোগ হলে মানুষ বাঁচার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলে। বংশগত কারণ, জৈবিক কারণ,

Thursday 14 August 2014

ডায়াবেটিস ও বিষণ্ণতা

‘আপনার তো ডায়াবেটিস!’ ডাক্তারের মুখে কথাটা শুনেই সেদিন যেন একটা ধাক্কা খেয়েছিলেন মনির সাহেব। দীর্ঘদিন শারীরিক দুর্বলতায় ভোগা সত্ত্বেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বরাবরই অনাগ্রহ ছিল তার। প্রধান কারণ- ওষুধ এবং উপদেশ। এই ওষুধগুলো একটা সকালে, একটা বিকালে অথবা খাওয়ার আগে নয় পরে, অথবা এটা করা যাবেনা, ওটা করা যাবেনা - এই সব হাবিজাবি। এসব মেনে চলা তার পক্ষে অসম্ভব। আর তাই শুনতেও চান না এসব নিজের পকেটের টাকা খরচ করে। সেইবার যাও গিয়েছিলেন ছেলে-মেয়ের চাপে পড়ে, তখনই জানতে পারলেন- তার ডায়াবেটিস। একেবারেই দমে গিয়েছিল তার মনটা। মনে হয়েছিল জীবনটা থেকে সব রঙ-আনন্দ এক দমকা বাতাসে হারিয়ে গেল।

Sunday 14 July 2013

বিষণ্নতা


বিষণ্নতা খুবই বাস্তব এবং সাধারণ মানসিক রোগ। এই রোগটি চিকিৎসাযোগ্য। ডিপ্রেশন আপনার কোনো দোষ নয়, দুর্ভাগ্যও নয়। তাই আপনি একা নন এবং আপনি সেরে উঠতে পারবেন। তবে ডিপ্রেশনের ভয় একটাই তা হলো আত্মহত্যা করে বসা। মেজর ডিপ্রেশন যাদের হয় তাদের মধ্যে আত্মহত্যার ঝুঁকি থাকে প্রায় ২০ গুণ, যা অন্য সাধারণ মানুষের চেয়েও বেশি। যে ব্যক্তির ডিপ্রেশনের কয়েকবারের ইতিহাস থাকে তার উচ্চ মাত্রায় আত্মহত্যার ঝুঁকি থাকে সব সময়। আর যাদের জীবনে একবারই এ রোগের ইতিহাস থাকে তাদের অবশ্য আত্মহত্যার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম থাকে এবং এরা তুলনামূলকভাবে দ্রুত চিকিৎসায় সাড়া দেয়।

আমাদের সমাজে আশপাশে এমন অনেক ব্যক্তি রয়েছেন যারা দীর্ঘদিন ধরে

Tuesday 2 July 2013

বিষন্নতা এবং মিতা নূরের মৃত্যু


মিতা নূর আত্মহত্যা করেছেন। তবে যে তিনি বিষন্নতায় ভূগতেন, তা তার নিকটজন/ সহকর্মী সহ গাড়ীর ড্রাইভারও স্বীকার করেছেন। কি এমন কথা ছিল যা নাকি তিনি কাউকেই বলতে পারেননি? দীর্ঘদিন নাকি তিনি ঘুমের ট্যাবলেট ব্যবহার করতেন!



মায়ের মৃত্যু প্রসঙ্গে বড় ছেলে বলেন, সন্তান হিসেবে বিশ্বাসই করতে পারছি না আমার মা মারা গেছেন। সে আবেগতাড়িত কণ্ঠে বলে, বেশ কয়েক মাস ধরে মা হতাশায় ভুগছিলেন। নিয়মিত ঘুমের ট্যাবলেট খেতেন। একপর্যায়ে আসক্ত হয়ে পড়েন। অল্পতেই তার মেজাজ গরম হয়ে যেতো। খিটখিটে স্বভাবের হয়েছিলেন। ঘনিষ্ঠ স্বজনদের ধারণা- বিষণ্ন্নতার কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন মিতা নূর। গত কয়েক মাস ধরে তিনি অত্যধিক বিষণ্ন্নতায় ভুগছিলেন। বাড়ির বাইরে

Monday 13 May 2013

দুঃচিন্তা লাঘবে আর ওষুধ নয়



অনেকেই আছেন যারা সামান্য দুঃচিন্তা, মানসিকচাপ বা অবসাদ, বিষণ্নতা অনিদ্রা ইত্যাদি মনোগত সমস্যায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই বিভিন্ন ধরনের প্রচলিত ঔষধ খেয়ে থাকেন। তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এ ধরনের ঔষুধ সেবনের প্রবণতা বেশী লক্ষ্য করা যায়। রিলাক্সেন, ডিএংজিট, রেংজিট, মুডন, ক্লোবাজাম ইত্যাদি হরেক নামের মনোগত ওষুধ সেবনে অনেকেই রীতিমত অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। অথচ অন্যান্য ঔষধের মতো সাইকিয়াট্রিক ঔষধেরও রয়েছে বিবিধ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। মানসিক সমস্যায় সাইকিয়াট্রিক বা মনোরোগ

Tuesday 19 March 2013

নীরব ঘাতক বিষণ্নতা


বিষণ্নতা

বিষণ্নতা খুবই বাস্তব এবং সাধারণ মানসিক রোগ। এই রোগটি চিকিৎসাযোগ্য। ডিপ্রেশন আপনার কোনো দোষ নয়, দুর্ভাগ্যও নয়। তাই আপনি একা নন এবং আপনি সেরে উঠতে পারবেন। তবে ডিপ্রেশনের ভয় একটাই তা হলো আত্মহত্যা করে বসা। মেজর ডিপ্রেশন যাদের হয় তাদের মধ্যে আত্মহত্যার ঝুঁকি থাকে প্রায় ২০ গুণ, যা অন্য সাধারণ মানুষের চেয়েও বেশি। যে ব্যক্তির ডিপ্রেশনের কয়েকবারের ইতিহাস থাকে তার উচ্চ মাত্রায় আত্মহত্যার ঝুঁকি থাকে সব সময়। আর যাদের জীবনে একবারই এ রোগের ইতিহাস থাকে তাদের অবশ্য আত্মহত্যার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম থাকে এবং এরা তুলনামূলকভাবে দ্রুত চিকিৎসায় সাড়া দেয়।
আমাদের সমাজে আশপাশে এমন অনেক ব্যক্তি রয়েছেন যারা দীর্ঘদিন ধরে ডিপ্রেশনে ভুগছেন কিন্তু তারা হয়তো এ কথা জানেনও না যে তাদের চিকিৎসাযোগ্য একটি মনোরোগ হয়েছে। আবার অনেকেই এ রোগ সম্পর্কে জেনেও রোগকে এবং রোগীকে অনবরত অবহেলা করে, চিকিৎসা নেয়ার প্রতি কোনোরূপ আগ্রহ দেখায় না বা চিকিৎসার জন্য এগিয়ে আসে না। অথচ এ রোগটির কারণে আক্রান্ত ব্যক্তি-