সাইকোপ্যাথ এবং সোশিওপ্যাথ আলাদা হলেও কিছু মিলও রয়েছে তাদের। যেমন- তাদের অন্যের প্রতি সহানুভূতি নেই। অপরাধের বিষয়ে অনুতাপ নেই। আইন এবং নিয়মের প্রতি অবজ্ঞা কাজ করে তাদের। তবে দুজনের একেবারে মৌলিক যে বৈশিষ্ট্যটা মেলে তা হলো, এরা প্রতারক এবং অপরাধ সংঘটনে নানারকম ধান্দাবাজির আশ্রয় নেন।
সোশিওপ্যাথরা আবেগ ধরে রাখতে স্থিতিশীল নন। তারা খুব বেশি আবেগপ্রবণ, বেশ ভদ্র, কথাবার্তায় বেশ সোশ্যাল। হিংস্রতা থাক বা না থাক, অপরাধ করার সময় সোশিওপ্যাথরা তা করার ক্ষেত্রে ব্যাপক মানসিক চাপ অনুভব করেন। তারা ধৈর্য্যশীল নন এবং খুব বেশি পরিকল্পিতও নন।
অন্যদিকে, সাইকপ্যাথরা অপরাধ করার ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম বিষয়গুলোও পর্যবেক্ষণ করেন। ধরা পড়ার সব পথ বন্ধ করার চেষ্টা করেন এবং ঝুঁকির মাত্রা বিশ্লেষণ করেন। তারা খুব কম ভুল করেন।
এই দুই ধরনের মানুষের মধ্যে আদৌ পার্থক্য রয়েছে কিনা তা নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে। তবে
"সাইকোপ্যাথি" হলো এক ধরনের মানসিক অসুস্হ্যতা। যা কিনা আমাদের আশে পাশে অনেক মানুষের মধ্যেই বিরাজমান। এটি একটি পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার যা বিভিন্ন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য শনাক্তকরণেই বোঝা যায়। অগভীর আবেগ, কম ভয়,
উদাসীন সহানুভূতি,
ঠাণ্ডা মাথায় অন্যায় করা,
নিজ দোষ শিকার না করা,
নিজেকে অনেক কিছু মনে করা,
মানুষকে মিথ্যা দিয়ে প্রভাবিত করা,
দায়িত্বজ্ঞানহীনতা,
পরিকল্পনা করে খারাপ কাজ করা,
ধান্দাবাজি,
মানুষের ক্ষতি করে অনুতপ্ত না হওয়া,
মানুষের কষ্ট দেখে উপহাস করা এবং অসামাজিক আচরণ যেমন খারাপ চরিত্রের দিকে ধাবিত হওয়া, স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজের চরিত্র নষ্ট করা,
পরের সাফল্যের বা শ্রমের ওপর নিজ জীবনধারা বিন্যাস করা এবং ঠাণ্ডা মস্তিষ্কে অপরাধিত্ব বজায় রাখা ইত্যাদি।
১৬টি প্রশ্নে চিনে নিন 'সাইকোপ্যাথিদের' !! আপনার আশেপাশেই আছে সাইকোপ্যাথ !!!
মনোবিজ্ঞানীরা 'সাইকোপ্যাথ' শব্দের ব্যাখ্যা বহুবার বদলেছেন।
সমাজব্যবস্থার সঙ্গে চরমভাবে বিপরীতমুখী এসব মানুষদের অনেক সময় 'সাইকোপ্যাথ' বলেন মনোবিজ্ঞানীরা।
ড. হার্ভে ক্লেকলে তার ১৯৪১ সালের সাইকোপ্যাথি নোটে লিখে গেছেন, এদের সহজে বোঝা যায় না।
কারণ "এদের সমস্যার কোনো লক্ষণ নেই""।
তবে ১৬টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যার দ্বারা এসব সামাজিক মানসিক রোগীদের চিহ্নিত করা যায়। কারো মাঝে এই বৈশিষ্ট্য বুঝতে চিকিৎসকরা সাধারণ এই প্রশ্নগুলোই করেন। দেখে নিন, এসব প্রশ্নের জবাব আপনি বা আপনার আশপাশে
আপনি কি সাইকো? আমাদের আশেপাশে কিন্তু অনেক সাইকোপ্যাথ আছে!সাইকোপ্যাথি হল এক ধরনের মানষিক অসুস্হ্যত্বতা যা কিনা অনেক মানুষের মধ্যে বিরাজমান।এটি একটি পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার যা বিভিন্ন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সনাক্তকরনেই বুঝা যায়। অগভীর আবেগ, কম ভয়, উদাসীন সহানুভূতি, ঠাণ্ডা মাথায় অন্যায় করা, নিজ দোষ স্বীকার না করা, নিজেকে অনেক কিছু মনে করা, মানুষকে মিথ্যা দিয়ে প্রভাবিত করা, দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, পরিকল্পনা করে খারাপ কাজ করা, ধান্দাবাজি, মানুষের ক্ষতি করে অনুতপ্ত না হওয়া, মানুষের কষ্ট দেখে উপহাস করা এবং অসামাজিক আচরণ যেমন খারাপ চরিত্রের দিকে ধাবিত হওয়া, স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজের চরিত্র নষ্ট করা, পরের সাফল্যের বা শ্রমের উপর নিজ জীবনধারা বিন্যাস করা এবং ঠাণ্ডা মস্তিষ্কে অপরাধিত্ব বজায় রাখা ইত্যাদি ।
সাইকোপ্যাথি হল এক ধরনের মানষিক অসুস্হ্যত্বতা যা কিনা অনেক মানুষের মধ্যে বিরাজমান । এটি একটি পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার যা বিভিন্ন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সনাক্তকরনেই বুঝা যায় । অগভীর আবেগ, কম ভয়, উদাসীন সহানুভূতি, ঠাণ্ডা মাথায় অন্যায় করা, নিজ দোষ শিকার না করা, নিজেকে অনেক কিছু মনে করা, মানুষকে মিথ্যা দিয়ে প্রভাবিত করা, দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, পরিকল্পনা করে খারাপ কাজ করা, ধান্দাবাজি, মানুষের ক্ষতি করে অনুতপ্ত না হওয়া, মানুষের কষ্ট দেখে উপহাস করা এবং অসামাজিক আচরণ যেমন খারাপ চরিত্রের দিকে ধাবিত হওয়া, স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজের চরিত্র নষ্ট করা, পরের সাফল্যের বা শ্রমের উপর নিজ জীবনধারা বিন্যাস করা এবং ঠাণ্ডা মস্তিষ্কে অপরাধিত্ব বজায় রাখা ইত্যাদি । মানুষের মধ্যে এসব আচরন বিদ্যমান থাকলে বুঝবেন সেই মানুষটি একটি সাইকোপ্যাথ ।
সাইকোপ্যাথ নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যে বিরাজমান । কারো মধ্যে উপরের