Showing posts with label সিজোফ্রেনিয়া. Show all posts
Showing posts with label সিজোফ্রেনিয়া. Show all posts

Saturday 4 July 2015

সিজোফ্রেনিক ডিলিউশন বা ভ্রান্ত বিশ্বাস

ডিলিউশন বা ভ্রান্ত বিশ্বাস
সিজোফ্রেনিকদের অস্বাভাবিক বিশ্বাস থাকতে পারে।তারা তাদের বিশ্বাসগুলোতে সব সময় অবিচল থাকে-বিশ্বাসগুলো ব্যক্তির সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও কালচারাল বা সংস্কৃতিগত এবং শিক্ষার সম্পূর্ণ পরিপন্থী, তথাপি রোগী এতে বিশ্বাস স্থাপন করে। 
যাদের সিজোফ্রেনিয়া আছে তারা লাল-সবুজ ট্রাফিক সিগন্যালকে আদেশ বা নির্দেশ মনে করতে পারে। অনেক সিজোফ্রেনিক রয়েছে যারা বিশ্বাস করে তাদের বিরুদ্ধে অন্যরা সমালোচনা বা ষড়যন্ত্র করে চলেছে। মনে করে কেউ তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা লেলিয়ে দিয়ে দূর থেকে তার কাজকর্মকে দেখছে। সিজোফ্রেনিয়ার এ ভ্রান্ত বিশ্বাস বা ধারণাটি প্রবলমাত্রায় থাকে, একে

Friday 10 October 2014

উদঘাটন হলো সাভারের ‘গেছো-মানবী’ রহস্য; আসলে তিনি সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত


অবশেষে উদঘাটিত হলো সাভারজুড়ে আলোচিত ‘গেছো-মানবী’র রহস্য। এক নারীকে নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয় সাভারজুড়ে। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে পুরো রাত চেষ্টা চালিয়ে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন সেনাবাহিনী, পুলিশ ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা। তবে গাছের উপরে বসে থাকা ওই নারীর তত্পরতায় বেশি

Thursday 9 October 2014

আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস

দুই কোটি রোগীর জন্য মাত্র ৮১৩ শয্যা!বাংলাদেশে মানসিক রোগে আক্রান্ত প্রায় দুই কোটি মানুষের চিকিৎসার জন্য সরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন হাসপাতালে মাত্র ৮১৩টি শয্যা রয়েছে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক কোনো সেবাকেন্দ্র নেই। হাতেগোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ওপর এ রোগের চিকিৎসা নির্ভরশীল। এ ছাড়া এ রোগের চিকিৎসার জন্য দেশে মাত্র ১৯৫ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন। এতে করে মানসিক রোগে আক্রান্তরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।  
দেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ মানসিক রোগে আক্রান্ত। অথচ বিশাল এই জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবায় মাত্র ১৯৫ জন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ রয়েছেন।

Tuesday 1 October 2013

সিজোফ্রেনিয়া রোগী শনাক্ত করার উপায়



সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর নিজস্ব চিন্তা ও আচরণের মধ্যে সমন্বিত ধারা বজায় থাকে না। তাদের ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়। নিজেকে তারা গুটিয়ে নেয়। এড়িয়ে চলে যে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান। একাকী জীবনের বৃত্তবন্দী চক্রে আটকে পড়ে তারা।এই রোগে মনের নানা ক্রিয়া-বিক্রিয়ার মাঝে সামঞ্জস্যপূর্ণ মিল হারিয়ে যায়, বিশৃঙ্খলার জট তৈরি হয় মনের ভেতর। ফলে ব্যক্তিত্বের কাঠামো নড়বড়ে হয়ে যায়, অধঃপতিত হয় ব্যক্তিত্বের নানা বৈশিষ্ট্য।
যদি চিকিৎসা না করা হয়, বা চিকিৎসা শুরু হতে বিলম্ব ঘটে তবে রোগ ক্রমান্বয়ে জটিল হতে থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত তীব্রতার কারণেও সিজোফ্রেনিয়া দীর্ঘায়িত ও কমপ্লেক্স হতে পারে।
সিজোফ্রেনিয়া শনাক্ত করার জন্য রয়েছে কিছু  বৈশিষ্ট্য। কিন্তু সব সিজোফ্রেনিয়া রোগের বহিঃপ্রকাশ একই রকম ঘটে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্বতন্ত্র ধারার উপসর্গ দেখা যায় রোগীর ভেতর। সাধারণত সমস্যা শুরু হয় চিন্তার

Saturday 24 August 2013

সিজোফ্রেনিয়া



“সিজোফ্রেনিয়া” শব্দটির সাথে আমরা মোটামুটিভাবে পরিচিত হলেও এটি সম্পর্কে আমাদের স্বচ্ছ ধারণার অভাব রয়েছে। সিজোফ্রেনিয়া মূলত মস্তিষ্কের একটি মারাত্মক রোগ। Schizophrenia দুটি গ্রীক শব্দ “Skhizein” অর্থ "to split" বা বিভক্ত কর এবং Phrenos (phren) অর্থ “diaphragm, heart, mind” বা হৃদয় এবং মন। সিজোফ্রেনিয়া একটি মানসিক সমস্যা যা সাধারনত বয়ঃসন্ধির প্রথমেই অথবা একদম শৈশবে দেখা যেতে পারে, তবে জীবনের যে কোন সময় এটি হতে

Monday 24 June 2013

সিজোফ্রনিয়া রোগী: মিরপুরের রিতা-মিতা ফের বগুড়ায় উদ্ধার

মানুষের মানসিক অসুস্খতা বা মানসিক ব্যাধি প্রকৃতি অনুসারে দুই জাতের হতে পারে। এদের কতক মৃদু মাত্রার, আবার কতক তীব্র মাত্রার। সিজোফ্রনিয়া একটি তীব্র মাত্রার জটিল মানসিক ব্যাধি।
সিজোফ্রনিকরা নিজস্ব ভুবন তৈরি করে নেয়, যার মাঝে বাস্তবতার লেশমাত্র নেই। বাস্তবতার সাথে তাদের চিন্তা-চেতনা, আবেগ-অনুভূতি আর বোধশক্তির এত বেশি ফারাকের জন্যই এটিকে আমরা সাইকোসিস বলে থাকি। সাইকোটিক রোগীরা তারা নিজেরা যে অসুস্খ সেটি পর্যন্ত বুঝতে পারে না। 
সিজোফ্রনিয়ার উপসর্গ হ্যালুসিনেশন বা অলীক শ্রবণ
সিজোফ্রনিয়া রোগীদের অনুভূতি বা ইন্দ্রিয় স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি শাণিত ও তীক্ষîরূপ ধারণ করে। যেসব তথ্য পঞ্চইন্দ্রিয়ের সাহায্যে মস্তিষ্কে পৌঁছায়, মস্তিষ্কে এক্ষেত্রে সেসব তথ্যকে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ-ব্যাখ্যা করতে পারে না। 

সিজোফ্রনিয়াকরা  গায়েবি আওয়াজ শুনতে পান যে, তাকে বলা হচ্ছে ‘তুমি এটা কর ওটা কর’। অথচ আশপাশে কেউ নেই বা আশপাশে কেউ সিজোফ্রনিয়াতে যারা অনেক দিন যাবৎ ভোগে তারা ক্রমশ সমাজ থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিজস্ব মনের ছোট গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ ভুবনে থাকতে পছন্দ করে। এটি অবসন্নতা বা বিষণíভাবের জন্য হতে পারে অথবা একা থাকাটাই নিরাপদ­এ রকম ভ্রান্ত ধারণার কারণেও হতে পারে। সমাজে বসবাসের জন্য আচরণগত যেসব দিক থাকা দরকার তা অনেক সিজোফ্রনিয়ার থাকে না। 

এ রকম সিজোফ্রনিয়া রোগীই হলেন এরা দুবোন।

Tuesday 26 February 2013

মানসিক রোগ -সিজোফ্রেনিয়া



মানুষের মানসিক অসুস্খতা বা মানসিক ব্যাধি প্রকৃতি অনুসারে দুই জাতের হতে পারে। এদের কতক মৃদু মাত্রার আবার কতক তীব্র মাত্রার। সিজোফেন্সনিয়া একটি তীব্র মাত্রার জটিল মানসিক ব্যাধি।
এটিকে এক-দু লাইনে সংজ্ঞায়িত করতে মেডিকেল গবেষকরা পর্যন্ত হিমশিম খেয়ে যান। তাই সিজোফেন্সনিয়াকে সংজ্ঞায়িত করার ব্যাপারটিকে অনেকে কৌশলে এড়িয়ে চলেন। এ তীব্র জটিল মানসিক অসুখটিতে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকলাপ যথেষ্ট বিঘিíত হয়, যাতে করে সিজোফেন্সনিকরা তাদের পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক জীবনে ও তাদের দৈনন্দিন ব্যক্তিজীবনে পর্যন্ত বিপর্যস্ত ও বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে। এদের চিন্তা, চেতনা,

Sunday 30 December 2012

সিজোফ্রেনিয়া : কষ্টের শেষ কোথায়?


সমস্যা :আমার মনে হয় অতিলৌকিক কোন প্রাণী, হতে পারে জিন আমাকে ডিসটার্ব করে। ওরা আমার কানে কানে কথা বলে, আমাকে আদেশ-নির্দেশ দেয়। ওরা নেগেটিভ অর্থে পজিটিভ কথা আর পজিটিভ অর্থে নেগেটিভ কথা বলে আমার ব্রেনের ওপর প্রেসার দেয়। মনে হয়, আমার খাবারে নানা রকম দুর্গন্ধ ঢেলে দেয়। আমার মনের কথা সব জেনে ফেলে। তা টিভি আর রেডিওতে প্রচার করে দেয়। প্রায়ই দূর থেকে আমার হাত-পা নাড়ানো, চলাফেরা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে। ওদের অত্যাচারে

Saturday 29 December 2012

প্রশ্ন ও উত্তরঃ ঘুমের মধ্যে মনে হয় কেউ মেরে ফেলবে!


মানুষের এমন অনেক সমস্যা থাকে, যা সহজে কাউকে বলা যায় না। সমস্যাগুলো জীবনের গতি বাধাগ্রস্তও করে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শে আপনি কাটিয়ে উঠতে পারেন এ ধরনের সমস্যা...

Wednesday 21 November 2012

আপনি কি একজন সিজোফ্রেনিয়াক?


সিজোফ্রেনিয়া একটি তীব্র মাত্রার জটিল মানসিক ব্যাধি এটিকে বলতে পারেন গোপন ঘাতক ।এটিকে এক-দু লাইনে সংজ্ঞায়িত করতে মেডিকেল গবেষকরা পর্যন্ত হিমশিম খেয়ে যান। তাই সিজোফ্রেনিয়াকে সংজ্ঞায়িত করার ব্যাপারটিকে অনেকে কৌশলে এড়িয়ে চলেন। এ তীব্র জটিল মানসিক অসুখটিতে মস্তিষেকর স্বাভাবিক কার্যকলাপ যথেষ্ট বিঘ্নিত হয়, যাতে করে সিজোফ্রেনিকরা তাদের পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক জীবনে ও তাদের দৈনন্দিন ব্যক্তিজীবনে পর্যন্ত বিপর্যস্ত ও বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে। এদের চিন্তা, চেতনা, অনুভূতি, কাজকর্ম বাস্তবতার সাথে কেমন যেন খাপছাড়া। সিজোফ্রেনিকরা নিজস্ব মনোজগত ভুবন তৈরি করে নেয়, যার মাঝে বাস্তবতার লেশমাত্র নেই।

Monday 19 November 2012

মানসিক রোগ সিজোফ্রেনিয়া




সিজোফ্রেনিয়া একটি মস্তিকের রোগ৷ এতে মনের স্বাভাবিকতা হারিয়ে যায় এবং মস্তিস্কের বিঘ্ন ঘটে৷মূল কারণ জানা না গেলেও সিজোফ্রেনিয়ার জন্য নিম্নলিখিত কারণগুলো দায়ী বলে মনে করা হয় -

Monday 29 October 2012

সিজোফ্রেনিয়া রোগীর সাথে পরিবার সদস্যদের করণীয়

সিজোফ্রেনিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদী, তীব্র এবং জটিল রোগ যা যুগে যুগে মানুষের মধ্যে লক্ষ্য করা গেছে। এ রোগে আক্রান্তরা মনে করে- অন্যরা তার আচরণ বোঝে, অন্যরা তার চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করে বা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এ সকল বিষয় রোগীকে অসুস্থ ও উত্তেজিত করে তোলে। এ রোগ মানুষের চিন্তা, আচরণ, আবেগ, বাস্তব জ্ঞান প্রভৃতিতে প্রভাব ফেলে। অবশ্য চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে অনেক রোগী সমাজে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে। যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। রোগীর সাথে পরিবার সদস্যদের করণীয়সমূহ-