Saturday, 24 August 2013

সিজোফ্রেনিয়া



“সিজোফ্রেনিয়া” শব্দটির সাথে আমরা মোটামুটিভাবে পরিচিত হলেও এটি সম্পর্কে আমাদের স্বচ্ছ ধারণার অভাব রয়েছে। সিজোফ্রেনিয়া মূলত মস্তিষ্কের একটি মারাত্মক রোগ। Schizophrenia দুটি গ্রীক শব্দ “Skhizein” অর্থ "to split" বা বিভক্ত কর এবং Phrenos (phren) অর্থ “diaphragm, heart, mind” বা হৃদয় এবং মন। সিজোফ্রেনিয়া একটি মানসিক সমস্যা যা সাধারনত বয়ঃসন্ধির প্রথমেই অথবা একদম শৈশবে দেখা যেতে পারে, তবে জীবনের যে কোন সময় এটি হতে

পারে।


সববয়সই মানুষের মনেই এই ব্যাধি বাসা বাঁধতে পারে। তবে ১৫-২৫ বয়সীরা তুলনামূলক সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত হয় বেশি। তবে বয়স ৪০-এর ওপরে গেলেও সিজোফ্রেনিয়া হতে পারে। প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ সিজোফ্রেনিয়া বা স্মৃতিভ্রষ্ট রোগে আক্রান্ত হচ্ছে৷ এর বাইরে আরও কোটি কোটি মানুষ রয়েছেন, যাঁরা আংশিক সিজোফ্রেনিয়া কিংবা মানসিক রোগের শিকার৷ এর কারণ খুঁজে বের করার জন্য দিনের পর দিন বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে যাচ্ছেন। 
সিজোফ্রেনিয়া নামের তীব্র জটিল মানসিক রোগে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বিঘ্নিত হয়। ফলে, রোগীর পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং দৈনন্দিন ব্যক্তিজীবন বিপর্যস্ত ও বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে। এদের অনুভূতি, চিন্তা-চেতনা, কাজকর্ম কোনকিছুই বাস্তবিকতার সাথে সামঞ্জস্য নয়। সিজোফ্রেনিয়া রোগীরা নিজস্ব একটি জগত তৈরি করে নেয় যার মাঝে বাস্তবতার বিন্দুমাত্র ছোঁয়া থাকে না। বাস্তবতার সাথে তাদের চিন্তা-চেতনা, আবেগ-অনুভূতি আর বোধশক্তির এত বেশি ফারাকের জন্য অনেকেই এটিকে সাইকোসিস বলে থাকে। সিজোফ্রেনিয়া আক্রান্ত রোগীরা নিজেরাও বুঝতে পারে না যে সে একটি মানসিক রোগের স্বীকার। আতঙ্কজনক বিষয় হচ্ছে এই রোগটির বিকাশ এতই মন্থর গতিতে হয় যে রোগীর পরিবারের সদস্য বা কাছের মানুষরাও বেশির ভাগ সময় বুঝতে পারেন না যে, তার প্রিয়জন এক ভয়াবহ মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত। এর উপর আছে কুসংস্কার আর অপচিকিৎসা। অন্যসব মানসিক ব্যাধির তুলনায় বেশি কুসংস্কার ও অপচিকিৎসার শিকার হয় সিজোফ্রেনিয়া রোগীরা। মনোবিজ্ঞানের নানা সমীক্ষা থেকে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের প্রায় ০.২৪% লোক সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। 




সিজোফ্রেনিয়ার প্রকারভেদঃ

অনেক প্রকারভেদের মধ্যে কয়েক প্রকার সিজোফ্রেনিয়ার বৈশিষ্ট্যকে আলাদা করা যায়। যেমনঃ

ইনসিডিয়াল সিজোফ্রেনিয়াঃ এধরণের সিজোফ্রেনিয়া ধীরে ধীরে বিকশিত হয় এবং সে সহ আশপাশের কেউ বুঝতে পারে না যে সে এক ভয়াবহ মানসিক ব্যাধিতে জড়িয়ে যাচ্ছেন। 

একিউট বা ক্রাইসিস সিজোফ্রেনিয়াঃ হঠাৎ করে যদি সিজোফ্রেনিয়া হয়ে যায় এবং উপসর্গগুলো সপষ্ট থাকে তবে তাকে একিউট বা ক্রাইসিস সিজোফ্রেনিয়া বলে। এটি তীব্রমাত্রাসম্পন্ন হয়ে থাকে। এতে হ্যালুসিনেশন বা অলীক প্রত্যক্ষণ, ডিলিউশন বা ভ্রান্ত বিশ্বাস, চিন্তন পদ্ধতিতে গণ্ডগোল ও নিজের সম্পর্কে অস্তিত্ববোধ বা নিজস্ব অনুভূতিবোধ বিকৃত হয়ে যেতে পারে। 

ক্রনিক সিজোফ্রেনিয়া বা দীর্ঘমেয়াদি সিজোফ্রেনিয়াঃ এটি অনেক ক্ষেত্রে তীব্রমাত্রায় রোগীকে দীর্ঘদিনের অক্ষমতায় ভোগায়। এতে রোগী সমাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়, এদের প্রেষণার মারাত্মক ঘাটতি থাকে, বিষণ্নতা বা দীর্ঘমেয়াদি অবসন্নতাবোধ থাকতে পারে এবং এদের আবেগ ভোঁতা থাকে বা কতক ক্ষেত্রে আবেগের স্থূলতা থাকে। সাথে ভ্রান্ত বিশ্বাস বা ডিলিউশন এবং চিন্তা করাতে বা চিন্তনপ্রক্রিয়ায় অসামঞ্জস্যতা থাকতে পারে।

সিজোফ্রেনিক রোগীদের লক্ষণ ও উপসর্গ কতক ক্ষেত্রে কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহের মাঝে সপষ্ট হয়ে উঠতে পারে। এ সময় এদের আচরণজনিত নাটকীয় পরিবর্তন সম্পন্ন হয়ে থাকে। অনেকের আবার জীবনব্যাপী এ ধরনের ছোটখাটো নাটকীয় আচরণ বা অস্বাভাবিক আচরণ কয়েকবার হয়ে থাকে। পরপর দুটি এপিসোড বা অ্যাটাক হওয়ার মাঝখানে তারা আবার মোটামুটি স্বাভাবিক জীবন-যাপন করে থাকে। অনেকে আবার এ সময়ে সব বিষয়ে অনীহায় ভোগে, অবসন্ন বা বিষণ্ন থাকে, স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারে না



সিজোফ্রেনিয়ার কারনঃ

সিজোফ্রেনিয়াতে আসলে মানব মন মস্তিষক ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। ‘দি ব্রোকেন ব্রেন’ বইটিতে ডা. ন্যান্সি অ্যানড্রেমন বলেন যে, সিজোফ্রেনিয়ার জন্য কোনো একক কারণ দায়ী নয় বরং এ অসুখটি বিকাশের জন্য অনেকগুলো ফ্যাক্টর বা কারণ দায়ী। এতে ব্রেনের বা মস্তিষক গঠনেও পরিবর্তন লক্ষণীয়। এটি বিকাশের পশ্চাতে বংশগত বা জেনেটিক কারণকে অস্বীকার করারও উপায় নেই। এমনকি ভাইরাসজনিত ইনফেকশন বা ভাইরাল সংক্রমণ অথবা মস্তিষেক আঘাতের কারণে যে সিজোফ্রেনিয়া হবে না এমনটিও নিশ্চিত করে বলা যায় না। একটি শারীরিক অসুখের জন্য মানসিক সমস্যা হওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞান খুব সুন্দরভাবে বর্তমানে গ্রহণ করেছে। সবমিলিয়ে, এটি পারিবারিক এবং বংশগত হতে পারে। গর্ভবতী মায়েদের মধ্যে অনেক সময় এ রোগের আবির্ভাব দেখা দেয়৷ পুষ্টিহীনতা এবং ভাইরাসের মতন রোগজীবাণু দ্বারা মস্তিস্কের সংক্রমণ ঘটলে হতে পারে। বিভিন্ন ঔষুধের সাইড ইফেক্ট মাথায় আঘাতজনিত কারণে হতে পারে।

লক্ষণঃ

মানব মস্তিষেক নিউরন বা স্নায়ুকোষের পরিমাণ অনির্দিষ্ট, এ সংখ্যাটি বিলিয়ন হতে পারে। প্রত্যেকটি স্নায়ু বা নিউরনের শাখা-প্রশাখা থাকে যার সাহায্যে সে অন্য স্নায়ু বা মাংসপেশি বা অন্য কোনো গ্রন্থি থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ করতে পারে। নিউরন বা স্নায়ুকোষের শেষাংশে বা টার্মিনাল থেকে কিছু রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয়। এগুলোকে নিউরোট্রান্সমিটার বা রাসায়নিক দূত বলা হয়ে থাকে। এগুলোর সাহায্যে মূলত নানা ধরনের উদ্দীপনা স্নায়ুকোষ থেকে স্নায়ুকোষে পরিবাহিত হয়। সিজোফ্রেনিয়া রোগে এই যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়।


আসুন, লক্ষণগুলো সম্পর্কে একটু বিস্তারিত জানবার চেষ্টা করি।




অবাস্তব চিন্তা-ভাবনা
অস্বাভাবিক ও অবাস্তব চিন্তা-ভাবনা মনে বাসা বাঁধবার ফলে সে মানুষকে সন্দেহের চোখে দেখে। ভ্রান্ত বিশ্বাসের ফলে রাস্তা দিয়ে যাবার সময় সে মনে করে মানুষ তার দিকে বিশেষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে হাসছে এবং তাকে নিয়ে সমালোচনা করছে। অনেক 
ভ্রান্ত বিশ্বাসের প্রকাশভঙ্গি বিভিন্নরকম হয়। তবে সেটি রোগীর বয়স, ধর্মীয় চেতনাবোধ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে। যেমন-কেউ তার ক্ষতি করছে, খাবারে ও পানিতে বিষ মিশিয়ে তাকে হত্যা করার চেষ্টা করছে, তাকে পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।

রোগী সবসময় মনে করে, তার মনের গোপন কথা সে কাউকে না বললেও আশপাশের লোকজন সেগুলো কি করে যেন জেনে যায়। তার কাজকর্ম, চিন্তাচেতনা এগুলো তার নিজের না বরং বাইরে থেকে কেউ নিয়ন্ত্রণ করছে। কোনো কোনো রোগী মনে করে, তার অতীন্দ্রিয় বা অলৌকিক ক্ষমতা আছে। সে স্বপ্নের মধ্য দিয়ে বিশেষ ক্ষমতা লাভ করছে। অনেক রোগীর মনে হয় তার সঙ্গে জ্বীন-পরীর যোগাযোগ আছে।




মারাত্মক প্রতিক্রিয়াশীল আচরণ : 
সিজোফ্রেনিয়া রোগীর মধ্যে বিচিত্র সব অনুভূতি দেখা যায়। সে কখনো মনে করে, পৃথিবীর সবচেয়ে জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান মানুষ সে নিজে। সেই কারণে কেউ কোনো পরামর্শ বা উপদেশ দিতে গেলে সে মারমুখি হয়ে উঠে। সিজোফ্রেনিয়া আক্রান্ত রোগীর মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ দেখা দেয়। অনেক সাধারণ বিষয় সে সহজভাবে নিতে পারে না। হঠাৎ হঠাৎ সে প্রবল উত্তেজিত হয়ে উঠে। অকারণে উত্তেজিত হয়ে সে কাছের মানুষকে মারতে উদ্যত হয়। বকাবকি ও গালিগালাজ হয়ে উঠে তার সারাক্ষণের সঙ্গী। কোনো রোগীকে দেখা যায়, এই হাসছে আবার কোন কারণ ছাড়াই কাঁদছে। সত্যিকার পরিস্থিতির সাথে এদের আবেগজনিত প্রকাশ অনেকাংশে খাপ খায় না। যেমন, প্রচন্ড হাসির কৌতুকেও এরা অনেক সময় কেঁদে ফেলে। সামান্য অনেক বিষয় তার মধ্যে মারাত্মক প্রতিক্রিয়াশীল আচরণ তৈরি করে। 



অবাস্তব-অদ্ভুত সব অনুভূতিঃ
একজন সিজোফ্রেনিক প্রচন্ড আবেগীয় পরিস্থিতিতে পর্যন্ত আবেগশূন্যতায় ভোগে। সিজোফ্রেনিয়া যত প্রবল হয়, আবেগহীনতা তত বৃদ্ধি পায়। অনেক সময় এর বিপরীত বিষয় ঘটে। দেখা যায়, রোগীর মনে তীব্র আবেগের সঞ্চার হলেও বাইরে তা প্রকাশ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ে। অনেক সিজোফ্রেনিয়া রোগীই দাবী করে, সে গায়েবী আওয়াজ শুনতে পায়। একে হ্যালুসিনেশন বা অলীক শ্রবণ বলে। আশপাশে কোন লোকজন নেই, অথচ সে কারো কথা শুনতে পায়। কখনো ফিসফিস আওয়াজ বা পাখির ডাকের মতো শব্দও শুনতে পায়। অলীক বা গায়েবি আওয়াজকে বলা হয় "অডিটরি হ্যালুসিনেশন" এসব শোনা থেকে রক্ষা পেতে অনেকে কানে তুলো বা আঙ্গুল দিয়ে বসে থাকে। ধীরে ধীরে রোগীর স্মরণ শক্তি লোপ পায়। মূলত এদের অনুভূতি বা ইন্দ্রিয় স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি শাণিত ও তীক্ষ্ণরূপ ধারণ করে। যেসব তথ্য পঞ্চইন্দ্রিয়ের সাহায্যে মস্তিষ্কে পৌছায়, এক্ষেত্রে মস্তিষ্ক সেসব তথ্যকে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ-ব্যাখ্যা করতে পারে না। তাই এসব তথ্যের তাড়নায় ব্যক্তি যে সাড়া দেয় তা থাকে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অসংলগ্ন। সিজোফ্রেনিকরা কানে যা শোনে তা বিশ্বাস করে ও সাথে সাথে মানে। অনেক সময় রোগীকে একা একাই কথা বলতে দেখা যায়। কেউ কেউ নাকে বিশেষ কিছুর গন্ধ পায়। ঘুমের মধ্যে অনেক রোগী হাঁটিহাটি একটু আগে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা সে মনে করতে পারে না। আকাশ-কুসুম কল্পনাকে অনেক রোগী বাস্তবের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে। 



অসামাজিক এবং অসংলগ্ন জীবনযাপনঃ 
সিজোফ্রেনিকরা অনেক সময় সবকিছু থেকে নিজেকে আড়াল নেয়, মানুষের সঙ্গে মিশতে চায় না। ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ জীবনযাপন করতে পছন্দ করে। কেউ কেউ পরিবার-পরিজন থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য দিনের পর দিন একা একা বাইরে বাইরে ঘুরে বেড়ায়। কেউ ভালো-মন্দ জিজ্ঞেস করলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। নিজের খাওয়া-দাওয়া, ঘুম আর শরীরের প্রতি খেয়াল থাকে না। জীবন সম্পর্কে কোনো উৎসাহবোধ তাদের থাকে না। জামা-কাপড় বা পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার সম্পূর্ণ উদাসীন হয়ে ওঠে। জিনিষপত্র ভাঙচুর করে, কাগজপত্র এবং কাপড়-চোপড় কেটে কুটি কুটি করে। হঠাৎ করে কাপড় বা অন্য কিছুতে আগুন ধরিয়ে দেয়। অবস্থা গুরতর হলে রোগীর লজ্জা লোপ পায়। কাপড় চোপড় সবার সামনে খুলে ফেলতেও সে দ্বিধা করে না। যেখানে সেখানে মল-মূত্র ত্যাগ করে এবং তা ঘাটাঘাটি করে। আত্মহত্যার কথা ভাবে এবং আত্মহত্যার চেষ্টা করে। 

শেষ কথাঃ 

কিছু লক্ষণ দেখা দেওয়া মাত্রই সে সিজোফ্রেনিয়া রোগী এমনটা মনে করা ঠিক নয়। উপরের লক্ষণগুলোর বেশিরভাগই যদি কারো মধ্যে দেখা যায়, যার কারণে শিক্ষাজীবন, পারিবারিক জীবন, কর্মজীবন এবং সামাজিক জীবনের ব্যাঘাত ঘটে এবং লক্ষণগুলো ৬ মাসের অধিক সময় থাকে, তখনই তাকে সিজোফ্রেনিয়া আক্রান্ত রোগী হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে। তবে, সিজোফ্রেনিয়া গুরুতর মনোব্যধি হলেও দূরারোগ্য নয়। সঠিক চিকিৎসা ও পরিবারের আন্তরিকতার মাধ্যমে সিজোফ্রেনিয়া রোগী ফিরে পেতে পারেন তার স্বাভাবিক জীবন ও মানসিক সুস্থতা।

১৬ কোটি জনসংখ্যার এ দেশে ‘চিকিৎসা নিতে হবে’ এমন রোগী ১৬ লাখ। এই চিকিৎসায় খুব বেশি টাকা-পয়সাও খরচ হয় না। আর চিকিৎসা পদ্ধতিও মোটামুটি নির্ভরযোগ্য। আধুনিক বিজ্ঞানে এই রোগের চিকিৎসায় প্রচুর নতুন নতুন ওষুধ আবিষকার হয়েছে। আর এগুলো নির্দেশমতো খাওয়াও অত্যন্ত সহজ। ‘পুষে রাখা রোগী’ যে কোনো সময় সামাজিক, পারিবারিক বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে। এদের প্রতি সহানুভূতিশীল হোন। 


কৃতজ্ঞতাঃ "ভূতাত্মা" যিনি এই লেখাটি আমাকে ব্লগে ব্যবহার করতে অনুমতি দিয়েছেন।

No comments:

Post a comment