স্যাপিওসেক্সুয়ালদের প্রেম ও যৌনতার অনুভূতি আবর্তিত হয় মস্তিষ্ককে ঘিরে। চেহারার কিছু ভূমিকা অবশ্য থাকে, কিন্তু তা নেহাতই সাময়িক। শারীরিক সৌন্দর্য বা সামাজিক অবস্থানের চেয়ে তাঁদের কাছে অনেক বড়ো হয়ে দাঁড়ায় উলটোদিকের মানুষটির বুদ্ধিমত্তা। উলটোদিকের মানুষটির গভীর চিন্তাশক্তি, কৌতূহলী মনোভাব, প্রচলিত ব্যবস্থাকে প্রশ্ন করার মানসিকতা তাঁদের প্রচণ্ড আকৃষ্ট করে। মনস্তাত্ত্বিক, রাজনৈতিক, দার্শনিক আলোচনা থেকে তারা রসদ সংগ্রহ করেন, এবং মনে করেন কারও যৌন আকর্ষণ শরীরে নয়, বরং তার মেধায় লুকিয়ে থাকে।
স্যাপিওসেক্সুয়াল মানে হলো -এমন একজন মানুষ, যার কাছে শারীরিক সৌন্দর্যের চেয়ে বুদ্ধিমত্তা বেশি আকর্ষণীয়।
তাদের কাছে সুন্দর চেহারা, ফ্যাশন, গ্ল্যামার কিছুই তেমন গুরুত্বপূর্ণ না।
বরং, কেউ যদি খুব জ্ঞানী হয়, যুক্তিবোধে শক্তিশালী হয়, আর তার চিন্তাধারা অন্যরকম হয় — তখনই প্রেমে পড়ে এই স্যাপিওসেক্সুয়াল মানুষগুলো।
উদাহরণস্বরূপঃ
মানুষ যখন কারও প্রেমে পড়ে তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই সে চেহারা, বাহ্যিক সৌন্দর্য ইত্যাদি দেখে প্রেমে পড়ে। কিন্তু এমনকিছু মানুষ আছেন যারা চেহারা কিংবা শারীরিক সৌন্দর্য নয়, শুধু বুদ্ধিমত্তা দেখেই প্রেমে পড়েন তারা। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় ‘স্যাপিওসেক্সুয়াল’।
আপনি যদি কখনো বুঝে থাকেন, কারো বুদ্ধিদীপ্ত কথা বা কাজে আপনার মন হারিয়ে গেছে, তাহলে আপনি সম্ভবত স্যাপিওসেক্সুয়াল।
চেহারা একদিন বুড়িয়ে যাবে, কিন্তু মনের আকর্ষণ অমর।
শারীরিক আকর্ষণ থাকতে পারে, কিন্তু সেটা বড়ো কথা নয় ...
মেধা বা বুদ্ধির আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি হলেও শারীরিক আকর্ষণ যে একেবারেই নেই, তা কিন্তু নয়! কিন্তু স্যাপিওদের কাছে শারীরিক আকর্ষণটা খুবই সাময়িক। দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের জন্য কখনওই চেহারাটা বড়ো হয়ে দাঁড়ায় না তাঁদের কাছে।
১. সেপিওসেক্সুয়ালরা প্রেমে পড়ার জন্য বুদ্ধিমত্তার ওপর গুরুত্ব দেন বেশি। অপর পক্ষের গভীর চিন্তাশক্তি, কৌতূহলী মনোভাব, প্রচলিত ব্যবস্থাকে প্রশ্ন করার মানসিকতা ও ব্যক্তিত্বই তাঁদের টানে বেশি। এদের কাছে আকর্ষণ শরীরে নয়, বরং মেধায় লুকিয়ে থাকে।
২. সেপিওদের ধরন দুই প্রকার।
এক, এঁরা বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে আকর্ষণ বোধ করেন।