Monday, 9 October 2017

আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসঃ মানসিক রোগী মানেই পাগল নয়

Bildresultat för মানসিক রোগীমানব সভ্যতার সবচেয়ে পুরাতন রোগ মানসিক রোগ। সভ্যতার বিভিন্ন স্তরে বিভিন্নভাবে মানসিক রোগকে চিহ্নিত করা হয়েছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখার মধ্যে মানসিক রোগের উপসর্গ পাওয়া যায়। বর্তমান পৃথিবীর গবেষণায় নিত্যদিন নতুন নতুন মানসিক রোগের ওষুধ আবিষ্কার হচ্ছে। এখন মানসিক রোগ আগের যে কোন সময়ের চেয়ে সহজ এবং বেশি নিরাময় যোগ্য। পূর্বে যেমন ধারণা ছিল পরিবেশ, সামাজিক কারণ, বংশানুক্রমিক ইত্যাদি কারণে মানসিক রোগ হতে পারে। 
পৃথিবীর যে কোন দেশে যে কোন সমাজে নারী পুরুষ নির্বিশেষে, যে কোন ধরনের প্রকার ভেদে মানসিক রোগ হতে পারে। তবে বয়স অনুযায়ী এবং লিঙ্গ অনুযায়ী

Sunday, 8 October 2017

কী এই "ব্লু হোয়েল" বা নীল তিমি গেম??


Image may contain: ocean and textNo automatic alt text available.ব্লু হোয়েল’ বা Blue whale এর অর্থ নীল তিমি। নীল তিমিরা মৃত্যুর আগে সাগরের তীরে উঠে আসে – তারা আত্মহত্যা করে বলে অনেকের ধারণা! একারণেই গেমের নাম রাখা হয়েছে ‘Blue whale’ বা নীল তিমি। গেমটি বাধ্য করে তার ইনস্টলকারীকে সবগুলো স্তর খেলার জন্য।

সেন্ট্রাল রোডে কিশোরীর আত্মহত্যাঃ বাংলাদেশেও ‘ব্লু হোয়েল’(Blue whale) আতঙ্ক

Image may contain: ocean and textImage may contain: 1 person, smiling, close-up
এবার বাংলাদেশে হানা দিলো ব্লু হোয়েল। এর আগে সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর এই গেমের বলি হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অসংখ্য মেধাবী তরুণ-তরুণী। গত দু’মাস ধরে ভারতজুড়ে চলছে ব্লু হোয়েল আতঙ্ক। এবার ব্লু হোয়েল গেমের শিকার রাজধানী ঢাকার সেন্ট্রাল রোডের এক কিশোরী। গত বৃহস্পতিবার সকালে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয় তার পড়ার কক্ষ থেকে।

Friday, 15 September 2017

স্যাটিরিয়াসিসঃ প্রবল যৌন আকাংখার আসক্তির নাম


চিকিৎসকের ভাষায় রোগটির নাম স্যাটিরিয়াসিস। সিগারেট বা মদ ছাড়লে যেমন কয়েকদিন উইথড্রয়াল সিম্পটমস হয়, তেমনই এক ধরনের উইথড্রয়াল সিম্পটমের নাম এই স্যাটিরিয়াসিস। এই রোগটি হয় প্রচণ্ড সেক্স-আসক্তদের হঠাত্‍‌ সেক্স বন্ধ হয়ে গেলে। হাজতে স্যাটিরিয়াসিস আক্রান্ত হয়েছেন ধর্ষক বাবাজি গুরমিত রাম রহিম সিং। সেক্সের জন্য কাতরাচ্ছেন তিনি। চলছে চিকিৎসাও।

Bildresultat för রাম রহিমজেল সূত্রের খবর, নারীসঙ্গ, সেক্সের জন্য হাজতে কাতরাচ্ছেন রাম রহিম। অবস্থা এতই গুরুতর যে, প্রবল সেক্স-আসক্ত রাম রহিমের ব্যবহার ও মানসিক পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে, ঘুম বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সারাক্ষণ অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছেন, ছটফট করছেন। স্যাটিরিয়াসিসে আক্রান্ত রাম রহিমের চিকিৎসার জন্য পাঁচজনের একটি চিকিৎসকদল গঠন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছেন একজন মনোবিদও।
রোহতকের সুনাইরা জেলে রাম রহিমের কয়েকটি শারীরিক পরীক্ষাও করা হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, রাম রহিম একজন প্রবল সেক্স-আসক্ত।

Thursday, 17 August 2017

একজন ধর্ষিতার ফরেনসিক টেষ্ট কিভাবে করা হয়?

একজন ধর্ষিতার ফরেনসিক টেষ্ট কিভাবে করা হয়? এই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর কতজন সাধারন মানুষ জানেন? আমি জানতাম না। ভাসা ভাসা একটা ধারনা ছিলো। আজকে একটা অনলাইন পত্রিকার লিংক থেকে ব্যাপারটা সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা হলো। 
Image may contain: one or more peopleবাংলাদেশে এই ব্যাপারটি যে এতটা ভয়াবহ , সেটা জানা ছিলো না। এতদিন শুনে এসেছি, ডাক্তারি পরীক্ষার নামে ভিকটিম ২য় বার রেপড হয়। এতদিন ভাবতাম, পরীক্ষার প্রয়োজনেই(!) তাকে বুঝি এই ”২য় বার রেপ করা হয়” এবং এটা রূপকঅর্থে ব্যবহৃত হয় এবং ব্যাপারটা পুরোটাই মেন্টাল ট্রমা। কিন্তু আদতে টেষ্টের পুরো প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিটি যে প্রায় আক্ষরিক অর্থেই একজন নারীর জন্য মানসিক ও শারিরীক যৌন নির্যাতন, এটা আজ জানলাম।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ফাতেমা সুলতানা শুভ্রা এ ব্যাপারে কিছু গবেষনা করেছেন। তিনি সেই গবেষনার ফলাফল, ফরেনসিক টেষ্ট পদ্ধতি ও এ বিষয়ে নিজের মতামত

Wednesday, 19 July 2017

শুচিবায়ু বা অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসঅর্ডার (ওসিডি)


অবশেসন বা অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসঅর্ডার (ওসিডি) রোগটি অনেক পুরনো। গ্রামাঞ্চলে এ রোগটিকে শুচিবায়ু রোগ বলা হয়। অবসেশন রোগটি ছোটবেলাতেই শুুরু হয়। মোট জীবনকালে কখনো বাড়ে কখনো কমে। দেখা গেছে দুই-তৃতীয়াংশ অবসেশনের রোগী ডিপ্রেসনে আক্রান্ত হন। এটি একটি নীরব ঘাতক ব্যাধি। অবসেশন রোগে একই চিন্তা বারবার মাথায় আসে, একই কাজ বারবার করার প্রবণতা দেখা দেয়- যা রোগীর জন্য অত্যন্ত কষ্টের। বারবার একই জিনিস চেক করা, পারফেক্ট থাকার ইচ্ছা, সব কাজ নির্ধারিত সময়ে করার প্রবণতা প্রভৃতি উপসর্গ হিসেবে পাওয়া যায়। প্রতি ৪০ জন প্রাপ্তবয়স্কের একজন ও প্রতি ১০০ জন শিশু-কিশোরের একজন অবসেশন রোগে আক্রান্ত থাকে। অবসেশন রোগীদের মধ্যে শতকরা ১০ ভাগ সঠিক চিকিৎসাপ্রাপ্ত হয়।

Thursday, 18 May 2017

মাদকাসক্তি থেকে নিরাময়ের কিছু উপায়

বর্তমানে চলমান অনেক সামাজিক ব্যাধির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাধি হল মাদকাসক্তি। অনেক পরিবারই এই ব্যাধির ভুক্তভোগী। একটি পরিবারের কোন একজন ব্যক্তি মাদকাসক্ত হলে, তা শুধু ঐ ব্যক্তিকেই নয় বরং পুরো পরিবারকেই নানারকম সমস্যার সম্মুখীন করে তোলে। আর এই সমস্যাগুলো থেকে উঠতে গেলে প্রথম যা দরকার সেটা হল, মাদকাসক্ত ব্যক্তির চিকিৎসা।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরিবারের কোনো ব্যক্তি মাদকাসক্ত হলে, পরিবার তার আরোগ্যের জন্য তাকে পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি করে দেয়। কিন্তু এমন অনেক পরিবার আছে যারা অর্থনৈতিক ভাবে অসচ্ছল অথবা তাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটিই হয়তো মাদকাসক্ত। সেক্ষেত্রে তারা হয়তো মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি করতে পারছে না। কিন্তু এরকম পরিস্থিতিতে, মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও তার পরিবার যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে মাদকের আসক্তি থেকে মুক্ত হতে পারে। আবার এমন অনেক ব্যক্তি আছে, যারা নতুন নতুন আসক্তিতে জড়িয়ে পরেছে। কিন্তু তারা চায় আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে,

Thursday, 9 February 2017

কেন আমি সাইক্রিয়াটিস্ট বা সাইকোথেরাপিস্টের এর কাছে যাবো ? আমি কি পাগল ??

আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষই মনে করেন- সাইক্রিয়াটিস্ট বা সাইকোথেরাপিস্ট হচ্ছেন পাগলের ডাক্তার। সুতরাং তাঁর কাছে যাওয়া মানে নিজেকে "পাগল" বলে স্বীকার করে নেয়া। কিন্তু কথাটা মোটেও সত্য নয়। সাইক্রিয়াটিস্ট হচ্ছেন- ‘মনোচিকিৎসক’। অন্যদিকে সাইকোথেরাপিতে সাইকোলজিস্ট পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে কায়েন্টের মনের কথা শুনেন। কায়েন্টের মনের মধ্যে যদি নেতিবাচক চিন্তা বা ধ্যান ধারণা থাকে, তবে কথা বলে ও যুক্তির

Wednesday, 16 November 2016

বিষণ্ণতা


সামাজিক, পারিবারিক, মনস্তাত্ত্বিক, জৈবিক, বংশগত বিভিন্ন কারণে মানুষ বিষন্নতায় আক্রান্ত হয়।
বাংলাদেশের প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ সাধারণ বিষন্নতায় ভুগে, তার মধ্যে আবার ১০ শতাংশ মানুষ তীব্র বিষন্নতায় আক্রান্ত। মাদকাসক্তি, আত্মহত্যার প্রধান কারণ বিষন্নতা। মূলত বায়োলজিক্যাল ও বায়োসাইকোসোশ্যাল কারণে বিষন্নতা দেখা যায়। হরমোনজনিত ও বংশগত বিষন্নতার পেছনে দায়ী বায়োলজিক্যাল বিন্যাস। শৈশবের কোনো ভয়ভীতি, দুর্ঘটনা বা তিক্ত অভিজ্ঞতা বিষন্নতায়র মূলে থাকলে সেটাকে আমরা বায়োসাইকোসোশ্যাল কারণ বলতে পারি।’
অন্তর্মুখী, সংবেদনশীল, অনুভূতিপ্রবণ ব্যক্তিদের বিষন্নতায় ভোগার প্রবণতা

"বাংলাদেশ সিন্ড্রোম"

"বাংলাদেশ সিন্ড্রোম"
আমরা যারা সুইডেনে হাসপাতালে মানসিক বিভাগে কাজ করি, তারা এই সিন্ড্রোমের সাথে পরিচিত। সুইডেনে যারা এসাইলাম সিক করেছেন বা আশ্রয়প্রার্থী বা দীর্ঘদিন অবস্থানের পরও stay permit পাননি, তারা বিভিন্ন ভাবে stay permit পাবার চেষ্টা করেন। এরকম অনেক চেষ্টার মধ্যে হাসপাতালের মানসিক বিভাগে ভর্তি হয়ে মানসিক রুগী সাজার চেষ্টা করেন, যাতে করে stay permit পাওয়া যায়।
এ সময় এই সব তথাকথিত রোগীরা গোসল করেন না,চুল আচঁড়াবেন না, খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেন, দাঁত ব্রাশ করবেন না,বাঁচতে চান না, আত্মহত্যার চেষ্টা করেন, এমনকি কথা বলাও বন্ধ করে দেন। আবার এ সমস্ত রোগী যখন যেদিন থাকার পারমিশন পান, ঐ দিনই গোসল, খাওয়া-দাওয়া শুরু করেন এমন কি চুলে জেল দিয়ে ফিটবাবু হয়ে বাড়ীতে যাবার বায়না ধরেন। যা নাকি সিজোফ্রেনিয়া, ট্রমা, বাইপোলার, ডিপ্রেশন বা কোন মানসিক রোগের মধ্যে পড়েনা এবং সাংঘার্সিক।
এ ধরনের রুগী বেশীরভাগই বাংলাদেশী হওয়াতে সুইডেনের হাসপাতালগুলির মানসিক বিভাগে এসাইলাম সিকার বা আশ্রয়প্রার্থীদের "বাংলাদেশ সিন্ড্রোম" নামে "কোড" ব্যাবহার করা হয়।