যে ব্যাক্তি মিথ্যাচারকে একটি আর্টফর্মে নিয়ে গিয়েছেন। মিথ্যা বলতে বলতে এমন অবস্থা চলে যায় যে, তখন সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না। তখন তাকে বলা হয় প্যাথলজিক্যাল লায়ার।
প্যাথলজিক্যাল লায়াররা সাধারণত প্রয়োজন ছাড়া, অহেতুক পরিণতির চিন্তা না করেই মিথ্যা কথা বলেন। যা তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় এবং অনেকেই এটা উপলব্ধি করতে পারেন না।
প্যাথলজিক্যাল লায়ারদের কিছু আচরণগত লক্ষণ হলো -
১। অতিরিক্ত মিথ্যা বলা: প্যাথলজিক্যাল লায়াররা প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত মিথ্যা বলে থাকেন এবং তাদের মিথ্যা গুলো অনেকটাই মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয়। উদাহরণ হিসেবে কেউ যদি নিজে কোনো কারণে পুরষ্কার পেয়েছে এটা এসে জানায় তবে অনেকেই সেটা বিশ্বাস করবে যদি মিথ্যা বলাটা অনর্থক।
২। অনর্থক মিথ্যা বলা - অনেকেই মিথ্যা বলাটাকে এতটা স্বাভাবিক মনে করেন যে কারণ ছাড়াও মিথ্যা বলতে দ্বিধাবোধ করেন না।
৩। দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা: প্যাথলজিক্যাল লায়ারদের এরকম মিথ্যা বলার প্রবণতা বেশ ছোট বয়স যেমন টিনএজ থেকেই শুরু হয় যা জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রেও বিস্তার লাভ করে। যার ফলে অনেক মানুষই প্যাথলজিক্যাল লায়ারদের তাদের অসততার জন্যই চিনে রাখে।
No comments:
Post a Comment