এই রোগে প্রথমে ধীরে ধীরে ঘুম কমে যায়, এরপর একসময় একেবারেই ঘুম আসা বন্ধ হয়ে যায়। চোখ বন্ধ থাকলেও মস্তিষ্ক জেগে থাকে, আর শরীর সম্পূর্ণ ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে যায়, স্মৃতি কমে যায়, হ্যালুসিনেশন দেখা দেয়।
ধীরে ধীরে শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং অবশেষে মৃত্যু ঘটে।
এই রোগ বংশগত এবং যাদের শরীরে Prion নামের বিকৃত প্রোটিন তৈরি হয়, তাদেরই হয় এই রোগ।
এখনও এর কোনো চিকিৎসা নেই।
এই রোগ আমাদের শেখায় ঘুম কেবল বিশ্রাম নয়, বেঁচে থাকার জন্য একান্ত জরুরি।
ঘুম আসছে না বলে যারা বিরক্ত হন, তারা ভাবুন—
কেউ কেউ জীবনে শুধু একটাই চায়, ‘একটু ঘুম আসুক।’
সংগৃহীত
No comments:
Post a Comment