Sunday, 1 December 2013

পার্মানেন্ট সেক্সচুয়াল এরাউসাল সিন্ড্রোম ’ (পিএসএএস)

প্রতিদিন কমপক্ষে শতবার যৌনতৃপ্তি দেয় যে রোগ- এর নাম ‘পার্মানেন্ট সেক্সচুয়াল এরাউসাল সিন্ড্রোম ’ (পিএসএএস)। অথচ দেখেন যৌন অতৃপ্তির কারনে প্রতিদিন ভাংচে কত সংসার, অনেকেই জড়িয়ে পড়েন পরকীয়ার মতো সম্পর্কে। আবার পুরুষদের যখন অধিকাংশ সময়ই মহিলাকে দিনে একবার যৌনতৃপ্তি দিতে সমস্যায় পড়তে হয় সেখানে যুক্তরাজ্যের এক বিউটিশিয়া সারাহ কারমেন প্রতিদিন
অনায়াসেই শতাধিকবার যৌন তৃপ্তি পাচ্ছেন। ২৮ বছরের এ ব্রিটিশ তরুণী নিজেই তার দিনে শতাধিকবার যৌনতৃপ্তি পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে সেটিও আবার কোন ধরনের যৌন সম্পর্ক ছাড়াই!
ভীষন অবাক হবারই কথা। কিন্তু অবাক করার মতো হলেও ঘটনাটি পুরোপুরি সত্যি। ২৮ বছরের ওই ব্রিটিশ নারীর সামনে কোন ধরনের কাঁপতে পারে এমন বস্তু, সেটা হেয়ারড্রায়ারই হোক বা ফটোকপি মেশিনই হোক চালু থাকলেই তিনি যৌনতৃপ্তির চরমে পৌঁছে যান। অনেক সময় মাত্র ১০ মিনিট অন্তর তিনি এ অনুভূতির স্বাদ পান! কিন্তু এখানে আসল ব্যাপার হলো সারাহ ‘পার্মানেন্ট সেক্সচুয়াল এরাউসাল সিন্ড্রোম’ (পিএসএএস) এ ভুগছেন। যে রোগের ফলে তার যৌনাঙ্গে রক্তচাপ বেড়ে যায়। যখন তার বয়স ১৯ বছর তখন থেকে এ অনুভূতি পাওয়া শুরু করে সারাহ। তারপর থেকে যৌনতৃপ্তি পাওয়ার সংখ্যা দিনের পর দিন বেড়ে যাচ্ছে।
সারাহ জানান, তার যখন ১৯ বছর বয়স তখন এক চিকিৎসকের দেয়া এন্টি ডিপ্রেসিভ পিল খাওয়ার পর থেকেই তিনি এ পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন। তিনি বিউটিশিয়ান হিসাবে কাজ করেন। আর বিউটিপার্লারের যন্ত্রপাতির কাছে গেলেই তার এ অবর্ণনীয় চরম সুখের অনুভূতি শুরু হয়ে যায়! সারাহ’র বন্ধুরা তাকে অনেক ভাগ্যবতী আখ্যা দিলেও সারাহ নিজে এ ব্যাপারে সবসময় দারুন অস্বস্তিতে ভোগেন।
সারাহ’র ব্যাপারে অবশ্য চিকিৎসকরা জানিয়েছেন "পিএসএএস" কোন যৌন রোগ নয়। প্রতি তিরিশ বছরে একজন এমন রোগীকে হয়ত খুঁজে পাওয়া যায়। এর আগে মিশেল থম্পসন নামের আরেক ব্রিটিশ নারীকে খুঁজে পাওয়া যায়। যিনি তার ৩৭ বছর বয়স পর্যন্ত এমন সমস্যাতে ভুগেছিলেন। আর এ রোগের কোন চিকিৎসা এখনো পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করেন। 
নেট থেকে

No comments:

Post a comment