Wednesday, 3 February 2016

টিনএজার কিশোর-কিশোরীদের মানসিক সমস্যা

টিনএজরা বিভিন্ন মানসিক সমস্যা যেমন ডিপার্সোনালাইজেশন,ইলিউশন,হ্যালুসিনেশন, ডিপ্রেশন, হিস্টিরিয়া এমনকি সিজফ্রেনিয়াতেও ভোগেl 


টিনএজাররা সাধারণত যে মানসিক সমস্যাগুলোতে ভোগে তার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো শেয়ারিং এর অভাব। মনের কোনে জমে থাকা বিষাদ, অবসন্নতা, কোনো কারণ বশত ক্ষোভ কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন সংক্রান্ত সমস্যা নিরসনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে কাছের কারো বন্ধুসুলভ আচরণ যাতে সে অকপটে তার অভ্যন্তরীন বিষয়গুলো অকপটে শেয়ার করতে পারে। টিনএজার সময়টা অনেকটা বেপরোয়া, অনেকটা বেহিসেবী এবং রঙ্গীন নেশার। এই সময়টাতেই কিশোর কিশোরীরা ভুল সময়ে পা রাখতে চায়। সেই সাথে বিভিন্ন পরিস্থিতির চাপে পড়ে ভুগতে হয় নানা মানসিক চাপে। এ ধরণের সমস্যা সমাধানে তার পারিবারিক ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। বড়দের উচিত তাকে সমস্যা খুলে বলার ব্যাপারে উতসাহী করা। এবং একজন কাউন্সিলর হিসেবে তাকে আন্তরিক সহযোগিতা এবং পরামর্শ প্রদান করা। আর যদি এতে কাজ না হয় তাহলে অবশ্যই একজন মনোচিকিৎসকের শরনাপন্ন হয়ে তার পরামর্শ ফলো করা অপরিহার্য। এজন্য স্কুল, কলেজে কাউন্সেলিং করা যেতে পারে এবং  কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে তাদের মনের অনেক ভ্রান্তধারনা দূর করা সহ তাদের সুন্দর ভবিষত গড়ায় সাহায্য করা যেতে পারে।তবে দুঃখের বিষয় যে, আমাদের দেশে এমন সিস্টেম এখনও গড়ে উঠেনি। 

No comments:

Post a comment